২৩ মার্চ ,শনিবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বিশেষ প্রতিবেদন

 

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ্ • নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মে ,বৃহস্পতিবার, ২০১৮ ২০:৪০:৪৯

মুড়মুড়ে শব্দে মুখরিত মুড়িপল্লী বারতোপা


মুড়মুড়ে শব্দে মুখরিত মুড়িপল্লী বারতোপা


বছর ঘুরে রমজান মাস আসলেই ব্যস্ততা বেড়ে যায় গ্রামের বধুদের। বাঙালিদের ইফতারির প্রধান অনুষঙ্গ মুড়ি তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পরে তারা।যান্ত্রিক সভ্যতার এ যুগে হাতের ছোঁয়া ছাড়াও অধিকাংশ মুড়ি তৈরি হয়ে থাকলেও এখনও কদর রয়েছে হাতে ভাজা মুড়ির। 

ক্রেতাদের পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্বেও বছরের পর বছর ধরে এখনও টিকে রয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুরের বারতোপা গ্রামের হাতে ভাঁজা মুড়ি  শিল্প।

আজ দুপুরে বারতোপায় ঢুকতেই দেখা মিললো গ্রামের মানুষদের ব্যস্ততা। কেউ লাকড়ি কুড়াচ্ছেন, কেউ মুড়ির চাল শুকাচ্ছেন, কেউবা মাটির খোলায় চালে উত্তাপ দিচ্ছেন। গরম বালুর পরশে তা মুড়মুড় করে ফুটে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু মুড়ি।প্রতিটি বাড়িতে মুড়ি তৈরির ব্যস্ততা বলে দিচ্ছে এ যেন মুড়িরই গ্রাম। মুড়ি ফোটার শব্দের সাথে যেন জীবনের ছন্দ জড়িয়ে আছে তাদের।

সারা বছর এই গ্রামের নানাজন নানা ধরনের কাজ করলেও রমজান আসার আগেই নারী-পুরুষরা মুড়ি তৈরির কাজে লেগে যান। ক্রেতাদের বিষমুক্ত মুড়ি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জীবিন ও জীবিকার তাগিদে তারা এ পেশায় জড়িত হন। নারীরা চাল শুকানো থেকে ভাজার কাছ করে থাকেন। আর পুরুষরা সেসব বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেন। সনাতন প্রক্রিয়ায় হাতে ভাজা মুড়ি যেন তাদের জীবনেরও একটা অনুষঙ্গ। 

হাতে ভাজা মুড়ির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- এতে কোন ধরনের রাসায়নিক উপাদান প্রয়োগ করা হয়না।। শুধু চাউলে সামান্য লবণ পানি মিশিয়ে তা ভেজে গরম বালুতে ছেড়ে দেয়া হয়। আর এতেই মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয়ে যায় সাদামুড়ি।

বারতোপা গ্রামের গৃহবধু জমিলা খাতুন নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান, তারা বংশানুক্রমিকভাবে মুড়ির তৈরির মাধ্যমে জীবিকা চালিয়ে আসছেন। কিন্তু যান্ত্রিক সভ্যতার এ যুগে তাদের সনাতনী পদ্ধতি এখন প্রায় অচল। তবে তাদের তৈরি মুড়িতে কোন বিষাক্ত পদার্থ না থাকায় সচেতন লোকদের মধ্যে বিক্রি করা যায়। 

বাজারে যেখানে সাধারণ মুড়ি ৬০ টাকায় পাওয়া যায়, সেখানে তাদের হাতে তৈরি মুড়ি বিক্রি হয় ১শ টাকায়।

জমিলার প্রতিবেশী আব্দুস সাত্তারের ভাষ্য, নানা কারণে এই গ্রামের অনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। ‘বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে আসায় এখন আর আমরা টিকতে পারছি না। তবে পেশার মায়ায় এখনও কোনভাবে টিকে রয়েছি’ বলে জানান সাত্তার।

গ্রামের আরেক গৃহবধু কমলা আক্তার জানান, এখানেও রয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীদের আনাগোনা। গ্রামের অনেকেই হতদরিদ্র, বিধায় যাদের পুঁজি নেই তারা অনেকেই মহাজনদের সাথে মুড়ি ভাজার চুক্তি করেন।মহাজনরা শুধু ধানের যোগান দিয়ে থাকেন। বাকি সব উপকরণ মুড়ি তৈরির কারিগরদের দিতে হয়। ৬ মন ধানের মুড়ি ভেজে দিলে কারিগরদের দেয়া হয় ৩ হাজার টাকা।

সত্তোরোর্ধ্ব আয়েশা আক্তারের অভিমত, বাজারে বড় ও ধবধবে মুড়ির চাহিদা বেশি। তাই অনেক কারিগর লবণের বদলে ইউরিয়া ও হাইড্রোজ মিশিয়ে মুড়ি ভেজে থাকেন। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে হাতে ভাজা মুড়ির স্বাদ। তবে তাদের তৈরি মুড়িতে কোন বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় না, যা প্রয়োগ করা হয় কারখানাগুলোতে। 

একই এলাকার সোহরাব হোসেন জানান, তিনি বিগত ২৪ বছর ধরে রমজান উপলক্ষে মুড়ি তৈরি করছেন। কিন্তু এখন আর এতে তেমন লাভ হয়না। তবুও ক্রেতাদের অনুরোধে তিনি গত সাতদিন ধরে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে মুড়ি তৈরি করছেন।

শ্রীপুর মিজানুর রহমান মহিলা কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ইকবালের মতে,বর্তমান বাজারে যে ধবধবে সাদা মুড়ি পাওয়া যায় তার অধিকাংশতেই রাসায়নিকের মিশ্রণ রয়েছে, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তবে সনাতন পদ্ধতিতে হাতে ভাজা মুড়িতে বিষের প্রয়োগ না থাকায় সচেতন মানুষের মধ্যে এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বারতোপা বাজারের মুড়ির আড়ৎদার মহর আলীর জানান, বছর পাচেঁক আগেও এই গ্রামের শতাধিক পরিবারের অন্যতম জীবিকা ছিল মুড়িকে কেন্দ্র করে। সময়ের বিবর্তনে এখন তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বিভিন্নভাবে মুড়ির কারিগরদের সহায়তা করে থাকেন। আগে সারাবছর এই গ্রামে মুড়ি তৈরি হলেও এখন শুধু রমজান মাসকে ঘিরেই তা তৈরি হয়। 

তিনি বলেন, হাতে ভাজা মুড়িতে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায়, বিধায় এসব মুড়ির চাহিদা বেশি। তবে হাতে মুড়ি তৈরিতে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় প্রতি কেজি ১শ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়। আর তিনি গ্রাম ঘুরে সংগৃহীত মুড়ি রাজধানী ঢাকায় প্রেরণ করেন।

জিন্নাহ্/অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর


'দেশের সব এলাকাকে রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসা হবে'
তৃতীয় ধাপের প্রচার-প্রচারণার কাজ শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে
নতুন নির্বাচনের দাবিতে এপ্রিলে ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন
ঘানায় দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহত ৫০
শঙ্কামুক্ত ওবায়দুল কাদের, দেশে ফিরবেন এপ্রিল মাসে!
সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক বিজয়ের 
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি
ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দিলেন নুর
বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করলেন সুলতান মনসুর
মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, মা-মেয়ে নিহত
হায়দরাবাদে দলের যোগ দিয়েছেন সাকিব
পদ্মা সেতু ১৩৫০ মিটার দৃশ্যমান
বরিশালে বাস-মাহিন্দ্র সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৫
বরিশালে বাস-মাহেন্দ্র সংঘর্ষে নিহত ৩
রাজৈরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
চীনে বিস্ফোরণে নিহত ৪৭, আহত ৯০
কক্সবাজারে ‘গোলাগুলি’, নিহত ৩
দশম শ্রেণির ছাত্রীর গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ
কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের বিয়ে আজ
নিউজিল্যান্ডের পত্রিকায় আরবি হরফে সালাম
গুরুদাসপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত, আহত ৪
'দেশের সব এলাকাকে রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসা হবে'
তৃতীয় ধাপের প্রচার-প্রচারণার কাজ শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে
স্থবির রাঙামাটির বাঘাইছড়ির জনজীবন
শিয়াল ধরার ফাঁদে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুর মৃত্যু
'কয়েক দিনের মধ্যে বিএনপিকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না'
নতুন নির্বাচনের দাবিতে এপ্রিলে ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন
ঘানায় দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহত ৫০
শঙ্কামুক্ত ওবায়দুল কাদের, দেশে ফিরবেন এপ্রিল মাসে!
সুবিধা বঞ্চিত পথ শিশুদের জন্য ১ টাকায় খাবার
জনতার হাতে ভুয়া ডিবি সদস্য আটক 
পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ছিনতাইকারি নিহত
সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক বিজয়ের 
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি
ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দিলেন নুর
বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করলেন সুলতান মনসুর
মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, মা-মেয়ে নিহত
হায়দরাবাদে দলের যোগ দিয়েছেন সাকিব
পদ্মা সেতু ১৩৫০ মিটার দৃশ্যমান
বরিশালে বাস-মাহিন্দ্র সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৫
মসজিদে হামলা নিয়ে বিশ্বের মুসলিম নেতাদের বক্তব্য
‘নতুন জঙ্গি বিমান প্রস্তুত; রিয়াদ-আবু ধাবিতে হামলা হবে’
বিয়ে করলেন সাব্বির রহমান
দশম শ্রেণির ছাত্রীর গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ
হানিফ পরিবহনের দু'বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩
নিউজিল্যান্ডের হামলার ভিডিও প্রচার করে ধরা কিশোর
তিন ডাকাতকে চিনলেন রোজী সিদ্দিকী
ঝালকাঠিতে যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
হামলাকারীর অস্ত্র কেড়ে মুসল্লির প্রাণ বাঁচায় খাদেম
মোস্তাফিজের বিয়ে শুক্রবার, কেনাকাটা শেষ
‘হাততালি ও রেটিং পেতে মুসলিমদের দায়ী করি’
মৃতের ভান করে বাঁচলেন বাংলাদেশি ওমর জাহিদ
ট্রাম্প বললেন, শ্বেত সন্ত্রাসবাদ হুমকি নয়
মসজিদে হামলায় নিহতদের তালিকা
পাকিস্তানের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি চীনের, ক্ষুব্ধ ভারত
‌‘ভারত ছয়টি মারলে পাকিস্তান মারবে ১৮টি’
তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা তুলে দেওয়ার নির্দেশ
‘কনসেনট্রেশন হারিয়েছিলেন’ নুর
পাকিস্তানে ঢুকতেই ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিত
১৩ বছরের মেয়েকে যৌনপল্লীতে বিক্রিকালে ধরা বাবা!

সব খবর