১৮ জুন ,মঙ্গলবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বাংলাদেশ

>> জাতীয়

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

২৫ নভেম্বর ,রবিবার, ২০১৮ ১০:৩৪:০৬

নির্বাচনে সেনাবাহিনী যেভাবে দায়িত্ব পালন করবে


নির্বাচনে সেনাবাহিনী যেভাবে দায়িত্ব পালন করবে

ফাইল ছবি


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হচ্ছে৷ তবে তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে৷

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এখনো অবশ্য নিশ্চিত করেননি যে, ঠিক কবে থেকে সেনা মোতায়েন করা হবে এবং তারা মাঠে কতদিন থাকবে৷ নির্বাচনের পরেও সেনাবাহিনী থাকবে কিনা আর তারা কিভাবে কাজ করবে, তারা কি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে, নাকি টহলের দায়িত্বেও থাকবে- এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি৷ তবে এর আগে তফসিল ঘোষণার সময় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনা মোতায়েন করা হবে৷

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম গেল শুক্রবার ডয়চে ভেলেকে জানান, সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সব দায়িত্ব কমিশন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিয়েছে৷ তিনিই দিনক্ষণ ঠিক করবেন ও যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন৷ আর এ নিয়ে তিনিই আপডেট জানাবেন৷ 
বিএনপির প্রাধান্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে৷ এর মানে হলো, সেনাবাহিনী নির্বাচনের জন্য স্বাধীনভাবে প্রয়োজনীয় টহল, আটকসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে৷ কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনা মোতায়েনের যে কথা বলেছেন, তা তাদের দাবি পূরণ করে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী৷

তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যা বলেছেন, তা হলো, সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করে অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন চাইলে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে৷ তারা টহল দেবে না অথবা তাদের ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ারও দেয়া হচ্ছে না৷

তিনি দাবি করেন, পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা যদি সেনাবাহিনীকে সহায়তার জন্য কোনও পরিস্থিতিতে ডাকেন, তবে তারা কাজ করবেন৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশনই তো তাদের দলীয় কমিশনে পরিণত হয়েছে৷ পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসার তো তাদেরই লোক৷ তাহলে এই সেনা মোতায়েন করে কি কোনও কাজ হবে?

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯-১৩১ ধারা এবংএইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনকে তাদের চাহিদা মতো সহায়তা করতে পারে৷ 

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ডয়চে ভেলেকে বলেন, সিভিল প্রশাসনকে সহায়তার যে বিধান, তাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই৷ তবে বিএনপি যা চাইছে যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দিতে হবে, তা সংবিধান বা আইনে নেই৷ এটা সংবিধান ও আইনবিরোধী৷ পৃথিবীর কোনও দেশে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়া হয় না৷ বিএনপি সব সময়ই সংবিধানবিরোধী অবস্থান নেয়৷ তারা সংবিধান মানতে চায় না৷

বাংলাদেশে ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন ছাড়া আর সব নির্বাচনেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেব নিয়োজিত ছিল৷ নির্বাচন কমিশনে কথা বলে জানা গেছে, এবারও সেনাবাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন সহায়তা চাইলে তারা মুভ করবে৷

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন-এর প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার ডয়চে ভেলেকে বলেন, বিএনপি বা আরও কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দল যেভাবে সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের সময় ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়ার দাবি করছে, তা সংবিধান ও আইন সমর্থন করে না৷ তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা ক্যাম্পে বসে থাকলেও কোনও সুফল পাওয়া যাবে না৷ তাদের যদি স্বাধীনভাবে টহলের ক্ষমতা দেয়া হয়, তাহলে সেটা অনেক কাজে দেবে৷ তাদের মুভমেন্টের কারণে অপরাধী ও সমাজবিরোধীরা ভয়ে থাকত৷

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী কাজ করবে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী৷ এখন যদি পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা নিরপেক্ষ না হন, তাহলে কী হবে? তাদের নিরপেক্ষতার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে৷

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে যখন সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছিল, তখন নির্বাচন কমিশন স্পষ্টই জানিয়ে দেয় যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার কোনও সুযোগ নেই৷ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কত সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে, একটি উপজেলা, জেলা বা মহানগরে কতজন থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত নয়৷

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সাভার সেনানিবাসে গত সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পেলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবে৷ সেনাবাহিনী অতীতেও পেশাদারিত্বের সাথে এই দায়িত্ব পালন করেছে৷ অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে


NEWS24▐ কামরুল


ইতিহাস গড়ল টাইগাররা
নাইজেরিয়ায় তিনদফা বোমা হামলায় নিহত ৩০
মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুরসির মৃত্যু
সাকিবের সেঞ্চুরি, লিটনের অর্ধশত
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ফের সাকিব
ঘুম থেকে জাগিয়ে ছাত্রকে বলাৎকার করল শিক্ষক
আজও অর্ধশত হাকালেন সাকিব
৬ হাজার রান সাকিবের
রান আউটের ফাঁদে তামিম
মাদারীপুরে হাত-পায়ের রগ কেটে যুবককে খুন
‘বালিশ মাসুদুল ছাত্রদলের ভিপি ছিলেন’
দিনাজপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১
রশিদ হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন
এসআই পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে দুই যুবক ধরা
রুবেল হত্যায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন
হানিফ পরিবহনের বাসের চাপায় ছাত্র-শিক্ষক নিহত
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে সন্তানকে হত্যা করল মা
প্রতিশোধ নিতে প্রেমিকের মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ
ঘুম থেকে তুলে সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করল মা
শিশুর চিৎকারে ধরা ‘ধর্ষক’ যুবক
ইতিহাস গড়ল টাইগাররা
নাইজেরিয়ায় তিনদফা বোমা হামলায় নিহত ৩০
মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুরসির মৃত্যু
সাকিবের সেঞ্চুরি, লিটনের অর্ধশত
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ফের সাকিব
ঘুম থেকে জাগিয়ে ছাত্রকে বলাৎকার করল শিক্ষক
আজও অর্ধশত হাকালেন সাকিব
৬ হাজার রান সাকিবের
রান আউটের ফাঁদে তামিম
মাদারীপুরে হাত-পায়ের রগ কেটে যুবককে খুন
‘বালিশ মাসুদুল ছাত্রদলের ভিপি ছিলেন’
দিনাজপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১
রশিদ হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন
এসআই পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে দুই যুবক ধরা
রুবেল হত্যায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন
হানিফ পরিবহনের বাসের চাপায় ছাত্র-শিক্ষক নিহত
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে সন্তানকে হত্যা করল মা
প্রতিশোধ নিতে প্রেমিকের মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ
ঘুম থেকে তুলে সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করল মা
শিশুর চিৎকারে ধরা ‘ধর্ষক’ যুবক
'বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ'
যেসব পণ্যের দাম বাড়বে-কমবে!
বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব নিশ্চিত করল বাংলাদেশ
আরো ২২ পণ্য নিষিদ্ধ
কুকুরের সঙ্গে মিলিত হতে চায় স্বামী, বিপাকে স্ত্রী!
'বড় জায়গায় হাত দিলে হাত পুড়ে যায়'
গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে কাঁদলেন নুসরাত
ধর্ষণে বাধা দেয়ায় প্রেমিকাকে হত্যার পর মরদেহ ধর্ষণ
বাজেটে কমবে স্বর্ণের দাম!
 ২০ লাখ টাকা অনুদান পেলেন দুই অভিনেতা
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার খেলার সূচি
গ্রেপ্তার হলেন ওসি মোয়াজ্জেম
সাক্ষীকে হাত-পা কেটে হত্যা করল আসামি পক্ষ
ইতিহাস গড়ল টাইগাররা
বৃষ্টিতে পণ্ড হতে পারে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে
রিয়াদে ২৮ বাংলাদেশির মানবেতর জীবন-যাপন
সিগারেট ধরাতে দিয়াশলাই না দেওয়ায়...
‘ইসরাইল আমেরিকার বন্ধু নয়’
মামীকে হত্যার দায়ে ভাগ্নের মৃত্যুদণ্ড 
সাক্ষাৎ করুন নইলে ব্যবস্থা, জিনপিংকে ট্রাম্প

সব খবর