২১ মে ,মঙ্গলবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বাংলাদেশ

>> বিবিধ

 

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর প্রতিনিধি

১৩ মে ,সোমবার, ২০১৯ ২১:৪১:২৪

বিস্ময়ে ভরা নাটোরের ‘অচিন গাছ’


বিস্ময়ে ভরা নাটোরের ‘অচিন গাছ’

নাটোরের প্রাচীন ‘অচিন গাছ’


সুপ্রাচীন এক জনপদ নাটোর। নাটোর জেলা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা রকম প্রাচীন নিদর্শন। জেলার সাতটি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে রয়েছে অনেক পুরনো গাছ, কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে অনেক বৃক্ষ, তাদের মধ্যে একটি ‌‘অচিন’ গাছ, গাছের বয়স কত সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় না। গাছটির সঠিক পরিচয়ও কেউ জানেন না। এলাকার পুরনো লোকটিও ছোট থেকেই এই গাছটিকে দেখছেন এমন অবস্থায়।

নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুলশী গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই ‘অচিন’ গাছ। সমান্তরাল ভূমি থেকে পাহাড়ের মতো প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে এবং প্রায় ৫০ ফুট উচ্চতা ও চারপাশে আয়তনে প্রায় ১৫০ স্কায়ার ফুট, এর মূল আবাস, অসাধারণ কারুকাজ সজ্জিত শেকড় বহন করছে সুপ্রাচীন কালের সাক্ষী হয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ৬০ বছরের বৃদ্ধা আবুল কালাম জানান, গাছটি ঠিক কত বছর আগে জন্মেছে তার দাদাও তাকে বলতে পারেনি।

এলাকার আরেক বাসিন্দা ৬৫ বছরের মো. মোকছেদ আলী জানালেন, গাছটিতে আঙুর ফলের মতো ফল ধরে। বৈশাখ মাসের শেষে এই ফল পাকে, পাঁকলে তা অত্যন্ত সুস্বাদু হয়। এলাকার ছোট ছোট বাচ্চারা এবং অনেক মানুষ এই ফল খান। এই গাছটি নিয়ে নানা রকম গল্প প্রচলিত রয়েছে। গ্রামবাসী ও আশেপাশের মানুষের বিশ্বাসের একটি বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে এই খিরির গাছ।

মোছা. লাইলী বেগম জানালেন, এই গাছটি বহু বছর আগে হক সাহেব নামের একজন কর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং লোকলস্কর নিয়ে গাছ কাটার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন কিন্তু কাটতে পারেনি। পরে দু- সপ্তাহের মধ্যে সেই ব্যক্তি মারা যায়, তখন থেকে গ্রামবাসী এই গাছটির উপরে একটি বিশ্বাস স্থাপন করে। দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এই বৃক্ষটি পরিদর্শন করতে আসে এবং অনেক মানুষ এইখানে রোগ ব্যাধির জন্য মানত করে এবং তারা অনেকেই এখানে এসে শিন্নি রান্না করে মানুষের মাঝে বিতরণ করে।

নাটোরের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সুবিশাল অংশের কালের সাক্ষী এই গাছ। যদিও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অবহেলা সহ্য করে দাঁড়িয়ে আছে স্থানীয়দের বিশ্বাসী এ গাছ। এলাকাবাসী মনে করেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট ত্রুটি রয়েছে। তারপরেও যেন তারা গাছগুলোর দেখভালের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

মোছা. রমিছা বেগম জানান, গ্রামবাসীর অনেক দিনের দাবি, এই গাছটির চারপাশ দিয়ে পার বাঁধাই করে দেওয়ার, স্থানীয় সাংসদকে জানানো হয়েছিল দাবি সম্পর্কে, তিনি গাছটির পার বাঁধাই করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

এই গাছের বীজ পড়ে কোথাও কোনো চারা বা গাছ আজ পর্যন্ত জন্ম হয়নি বা কেউ হতেও দেখেননি।

এ ব্যাপারে সিংড়া উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, এই প্রাচীন বৃক্ষটি সম্পর্কে কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই। আমরা এই গাছটিকে অচিন গাছ হিসেবেই জানি। তবে এই গাছটির পাতা এবং ডালসহ বিস্তারিত তথ্য আমরা গবেষণাগারে পাঠিয়েছি; যাতে এই গাছটি সম্পর্কে বিশদে জানতে পারি। গাছটি রক্ষার জন্য এ মর্মে একটি আবেদন করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। এই গাছটির চারদিক বাঁধাই করার জন্য মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দের অবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা প্রতিনিয়ত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সব সময় নজর রেখেছি।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/নাসিম/তৌহিদ)


খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের মৃত্যুদণ্ড দাবি নাসিমের
মাদারীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত
ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দিল পুলিশ
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে আমির-ওয়াহাব-আসিফ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অ‌বৈধ স্থাপনা উ‌চ্ছেদ
ট্রেনের তেল চুরি, আটক ৪
চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামি গ্রেপ্তার
‘ফখরুলের সংসদে যাওয়া উচিত ছিল’
ইরাকে মার্কিন দুতাবাসের কাছে রকেট হামলা
রাঙ্গামাটিতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত
চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৮ মামলার আসামি নিহত
আসাদ গেটে ট্রাকচাপায় নিহত ১
হাজারীবাগে ‘বন্দুকযুদ্ধে দুই ছিনতাইকারী’ নিহত
ছাত্রী ও শিক্ষকের স্ত্রীদের সঙ্গে যৌন হয়রানি!
ছাত্রলীগ নেতার আঙ্গুল কর্তন: গ্রেপ্তার ১
রংপুরে বসুন্ধরা ও কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের ইফতার
বান্দরবানে নিহত সেনার দাহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়
'কৃষকদের বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে'
স্কোয়াডে আন্দ্রে রাসেল, রিজার্ভ বেঞ্চে ব্রাভো ও পোলার্ড
খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের মৃত্যুদণ্ড দাবি নাসিমের
মাদারীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত
ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দিল পুলিশ
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে আমির-ওয়াহাব-আসিফ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অ‌বৈধ স্থাপনা উ‌চ্ছেদ
ট্রেনের তেল চুরি, আটক ৪
চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামি গ্রেপ্তার
‘ফখরুলের সংসদে যাওয়া উচিত ছিল’
ইরাকে মার্কিন দুতাবাসের কাছে রকেট হামলা
রাঙ্গামাটিতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত
চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৮ মামলার আসামি নিহত
আসাদ গেটে ট্রাকচাপায় নিহত ১
হাজারীবাগে ‘বন্দুকযুদ্ধে দুই ছিনতাইকারী’ নিহত
ছাত্রী ও শিক্ষকের স্ত্রীদের সঙ্গে যৌন হয়রানি!
ছাত্রলীগ নেতার আঙ্গুল কর্তন: গ্রেপ্তার ১
রংপুরে বসুন্ধরা ও কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের ইফতার
বান্দরবানে নিহত সেনার দাহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়
'কৃষকদের বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে'
স্কোয়াডে আন্দ্রে রাসেল, রিজার্ভ বেঞ্চে ব্রাভো ও পোলার্ড
প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল বাংলাদেশ
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গৃহবধূকে অর্ধনগ্ন করে লাঠিপেঠা 
ভাতিজির মেয়েকে ধর্ষণ করে ধরা বিএনপি নেতা
‘ব্রেকআপের পর মনে হয়েছিল আমি বাঁচব না’
কেন ইরাক থেকে লোকজন সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
পুতুল খেলার কথা বলে শিশু ধর্ষণচেষ্টা!
বাড়াবাড়ি করবেন না, যুক্তরাষ্ট্রকে চীন
মাদারীপুরের নিহত ও নিখোঁজদের বাড়িতে মাতম
ইরান ইস্যুতে পাক জেনারেলের হুঁশিয়ারি
আহতদের না দেখেই ফিরলেন শোভন-রাব্বানী!
শিক্ষার্থী মারধরের সেই নেত্রী শায়লার ছবি ভাইরাল 
পরকীয়া প্রেমে প্রতিবাদ করায় অন্তঃসত্বা নারীকে খুন
'প্রিয় নেত্রী পরম মমতাময়ী প্রতি ঋণের বোঝা আরও বেড়ে গেল'
চুল পড়া বন্ধ করে ৪ খাবার
‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শক্তিশালী দল’
চোট পেয়ে মাঠ থেকে উঠে গেলেন সাকিব
সব বেসরকারি টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে যুক্ত হচ্ছে কাল
শমী কায়সার পেলেন সরকারি অনুদানের ৬০ লাখ টাকা
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর যা বললেন মাশরাফি
দেশে ফিরেই গণভবনে গেলেন কাদের

সব খবর