রমজান মাসে যারা রোজা পালনে অক্ষম। অতিশয় পীড়িত, বয়োবৃদ্ধ, এমনকি দৈহিক দুর্বলতার কারণে রোজা রাখা অনেক কষ্ট সাধ্য ব্যাপার বা প্রাণহানি ঘটতে পারে। তাদের রোজার ব্যাপারে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ﴾وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ﴿ অর্থ : আর যাদের জন্য সিয়াম কষ্টসাধ্য তাদের কর্তব্য হলো ফিদয়া, এর বদলে একজন মিসকিনকে খাদ্য দেওয়া। কেউ স্বেচ্ছায় ভালো কাজ করলে তা তার জন্য কল্যাণকর। আর সিয়াম পালন করাই তোমাদের জন্য বেশি কল্যাণকর, যদি তোমরা তা জানতে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৪) news24bd.tv/TR
রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তিদের করণীয়
অনলাইন ডেস্ক

রমজানে প্রিয় নবীজি (সা.) এর প্রিয় আমল
অনলাইন ডেস্ক

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ কষ্ট-ক্লেশ, শ্রম-পরিশ্রম। সন্ধ্যারাতে ঘুমিয়ে মধ্যরাতের পর শয্যাত্যাগ করাকে তাহাজ্জত বলা হয়। তাহাজ্জুদ নামাজের সময় রাতের দুই-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে তথা রাত দুইটার পর থেকে ফজরের ওয়াক্ত আরম্ভ হওয়ার আগপর্যন্ত। সাহ্রির সময় শেষ হলে তথা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শেষ হয়। তাই তাহাজ্জতের আগে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ পড়া উত্তম। প্রিয় নবীজি (সা.) প্রতি রাতেই তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। তাই এটি সুন্নত, অতিরিক্ত হিসেবে নফল। নবীজি (সা.)-এর জন্য এটি অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নির্ধারিত নফলের মধ্যে তাহাজ্জুদ সর্বোৎকৃষ্ট আমল। হজরত আলী (রা.) বলেছেন, যাঁরা রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়েছেন, তারাই আধ্যাত্মিক জগতে আল্লাহর নৈকট্য লাভে ঊর্ধ্বারোহণ করেছেন। (দিওয়ানে আলী, নাহজুল বালাগা) তাহাজ্জুদ হলো মোক্ষ লাভের...
যাদের রোজা কবুল হয় না, তারা কারা?
অনলাইন ডেস্ক

প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ছাড়েননি। কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকত, আর আপনি জানতে পারলেন- আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়! মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে যেমনটা বলেছেন, তোমাদের ওপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেমন করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী বা আল্লাহি ভীরু হতে পার। (সূরা বাকারা আয়াত নম্বর ১৮৩) হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কত রোজাদার আছে, যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না! -(সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯০) তারা কারা? হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার...
তারাবিতে কোরআনের বার্তা: পর্ব ৩
সুরা আলে ইমরান

এ সুরায় আকিদা ও শরিয়তের বিধি-বিধান দুটি বিষয়ই আলোচিত হয়েছে। আকিদার ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্ববাদ, নবুয়ত, কোরআনের সত্যতা, কোরআন সম্পর্কে সন্দেহ-সংশয় দূর করা হয়েছে। এই সুরায় এই ঘোষণা রয়েছে যে, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত ধর্ম। এই সুরায় ইহুদি-খ্রিস্টানদের সঙ্গে মৌলিক বিরোধ এবং বিরোধপূর্ণ বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। আর বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে এই সুরায় হজ, জিহাদ, সুদ, জাকাত এবং বদর ও উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। মুনাফিকদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে। দুটি নির্দেশনা দিয়ে সুরাটি শেষ হয়েছে : ১. আসমান ও জমিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২. বিপদাপদে এবং জিহাদে ধৈর্য ধারণ করতে বলা হয়েছে। আদেশ-নিষেধ-হেদায়েত ১. তাওহিদের বিশ্বাসই ঈমানের মূলভিত্তি। (আয়াত : ২) ২. যদিও আল্লাহর গুণাবলীতে দয়া প্রবল, তবুও তিনি দুনিয়াতেও কখনো কখনো...