চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের আমন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৬ মার্চ ২০২৫ চার দিনের এক সরকারি সফরে চীন যান। সফরকালে তিনি ২৮ মার্চ প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। তিনি চীনের হাইনান প্রদেশে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেওয়া ছাড়াও চীনের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা বৈঠকে মিলিত হন। গত বছরের আগস্ট মাসে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক একটি চুক্তি ও আটটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২৯ মার্চ পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে এবং সেদিনই তিনি দেশে ফিরে আসেন। দুই. প্রধান উপদেষ্টা ২৭ মার্চ দক্ষিণ চীনের হাইনান প্রদেশের বোয়াওয়ে...
প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে দৃঢ়তর করবে
এ কে এম আতিকুর রহমান
অনলাইন ডেস্ক

সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির গর্ব ও অহংকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। কিছু দিন যাবৎ মহলবিশেষ দেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, যার পেছনে রয়েছে পরাজিত শক্তি ও প্রতিবেশী একটি দেশের কিছু গণমাধ্যম। এসব গণমাধ্যম সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করছে। এর মধ্যে রয়েছে দি ইকোনমিক টাইমস, দি ইন্ডিয়া টুডে এবং বাংলা পত্রিকা আনন্দবাজার। পত্রিকাগুলোর অপপ্রচারসেনাবাহিনীতে অসন্তোষ বিরাজ করছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ছে ইত্যাদি। পত্রিকাগুলো মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর...
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
মোস্তফা কামাল

মাত্র মাস আটেক আগে কী দশা-দুর্গতিতে ছিলাম, কার উছিলায় কিভাবে এখন মুক্ত বাতাসে দম নিঃশ্বাস নিচ্ছি; দিব্যি ভুলে যাওয়ার প্রবণতা। সন্তুষ্টির বদলে যার তার সমালোচনা। বুকে বুক, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুঃসাধ্য বিজয় অর্জনের ঘটনাগুলো এতো দ্রুত তলিয়ে যাওয়া সবার জন্যেই দুর্ভাগ্যের। বিশেষ করে আন্দোলনের স্ট্যাকহোল্ডারদের কারো কারো মন্তব্য খোদার আরশ কাঁপানোর মতো। পরস্পরের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝাঁঝ নেমক হারামির নামান্তর। তবে, ৫ আগস্টের স্পন্দন সাধারণ মানুষের মনোজগতে একটা পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছে। প্রকারান্তরে এটিও একটি সংস্কার। বিশেষ করে নিজ দেশের সেনাবাহিনী সম্পর্কে হালকা-তাচ্ছিল্যপনায় স্মার্টনেস দেখানো তাদের কাছে অসহ্য। সশস্ত্র বাহিনী কেবল সার্বভৌমত্বের প্রতীকই নয়, একটি দেশের স্থিতিশীলতায়ও কতো বলীয়ান তা জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে বাস্তব করেছে সেনাবাহিনী।...
যে কোনো মূল্যে আতঙ্ক দূর করতে হবে
মীর আব্দুল আলীম
অনলাইন ডেস্ক

সন্ত্রাস! নামটা শুনলেই যেন চোখে ভেসে ওঠে ভয়ংকর দৃশ্য-কিছুটা সিনেমার মতো, যেখানে একদল অশিক্ষিত, তামাক চিবানো লোক রাস্তায় হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করে। তবে বাস্তবে এই সন্ত্রাসী বন্ধুরা তো আর সিনেমার চরিত্র নয়। তারা ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, অপহরণ আর মুক্তিপণ আদায়ের মাধ্যমে দেশের শান্তি ও অর্থনীতিকে গলা চেপে ধরে। এদের পেছনে থাকে এক ধরনের সুপারপাওয়ার যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পরাজিত! ভাবুন, এত সব ঘটনার পরেও সন্ত্রাসীরা দেদারসে তাদের শক্তি প্রদর্শন করছেঅথবা সম্ভবত মাইস্টারিয়াস ফর্মুলা ব্যবহার করছে। এই পুরো পরিস্থিতি যেন এক অদ্ভুত কমেডি স্ক্রিপ্টের মতো, যেখানে টাকার জন্য মানুষ নিরাপত্তা হারাচ্ছে, কিন্তু সবাই জানে যে, সন্ত্রাসীদের থামানো প্রায় অসম্ভব! আর সেদিকে তাকিয়েও মনে প্রশ্ন জাগে, কীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এত কিছুর পরেও সন্ত্রাসীদের থামাতে পারছে...
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পর্কিত খবর