রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন হলো রহমত। তার দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত এর শেষ ১০ দিন হলো নাজাত। সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে, প্রথম ১০ দিন আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি রহমত বা দয়া বণ্টন ও বিতরণ করতে থাকবেন। (সহিহ ইবনে খুজাইমা ১৮৮৭) এই মাসে পবিত্র কোরআনুল কারিম অবতীর্ণ হয়েছে। এই মাসে আমাদের প্রকাশ্য দুশমন বিতাড়িত শয়তানকে দয়াময় আল্লাহ লোহার শেকল দ্বারা বন্দি করে রাখেন। এই মাসে জান্নাতের সব দরজা খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়। এটা অল্লাহর অফুরন্ত রহমতেরই প্রকাশ। রহমতের মাস রমজানজুড়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নেক কাজে নিয়োজিত থাকা অনেক সহজ। তাই রমজানের রহমতের দশকে আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে রোজাদারের করণীয় হলো: ১. দিনের বেলা একনিষ্ঠতার সঙ্গে রোজা পালন করা। ২. জামাতে নামাজ আদায় করা। ৩. রাতের তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া। ৪. কোরআন তিলাওয়াত করা। ৫....
রোজায় রহমতের ১০ দিনে যা করণীয়
অনলাইন ডেস্ক

জুমার দিন যে কারণে ভয়ে থাকেন ফেরেশতারাও
অনলাইন ডেস্ক

ইসলামে জুমার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর বিভিন্নভাবে এ দিনটিকে মর্যাদা দিয়েছেন। সৃষ্টিকুলের ইতিহাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে জুমার দিন। প্রথম মানুষ ও নবী হযরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছিল জুমার দিন, তাকে দুনিয়ায় পাঠানো হয়েছিল জুমার দিন, তার দুনিয়া ত্যাগও হয়েছিল জুমার দিন। এ ছাড়া কিছু হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, কেয়ামত সংঘটিত হবে জুমার দিন এবং এ কারণে মানুষ ও জিন ছাড়া পুরো সৃষ্টিজগত এ দিন ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে।হাদিসটি আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন। এ দিন আল্লাহ তাআলা আদমকে (আ.) সৃষ্টি করেছেন। তাকে দুনিয়াতে নামানো হয়েছে এ দিন। তার মৃত্যুও হয়েছে এ দিন। তার তাওবা কবুল হয়েছে এ দিন। এ দিনই কেয়ামত সংঘটিত হবে। মানুষ ও জিন ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নেই, যা কেয়ামত কায়েম হওয়ার ভয়ে জুমার দিন ভোর থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত...
খতমে তারাবি সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে পড়ার আহ্বান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবি পড়ার সময় দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবি নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পারা তিলাওয়াতের রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী কর্মজীবী ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে পবিত্র কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। পবিত্র কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এই পরিস্থিতি নিরসনে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান...
ইমাম শাফেয়ি (রহ.)-এর জীবনকর্ম
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী শরিয়তে গবেষণার ক্ষেত্রে যে চার ইমাম বরণীয় হয়ে আছেন তাঁদের মধ্যে শাফেয়ি মাজহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম শাফেয়ি (রহ.) ছিলেন অন্যতম। ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.)-এর পর তিনি নেতৃস্থানীয় মুজতাহিদ ইমাম হিসেবে সমাদৃত। তাঁর পূর্ণ নাম মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আশ-শাফেয়ি। তাঁর বংশের নবম পুরুষ হলেন রাসুল (সা.)-এর চতুর্থ পূর্বপুরুষ আবদে মানাফ। এই হিসেবে তিনি ছিলেন কুরাইশ বংশোদ্ভূত। তিনি ১৫০ হিজরিতে আসকালান প্রদেশের গাজাহ নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের দুই বছর পর তিনি পিতাকে হারান। ফলে মাতৃক্রোড়েই তিনি লালিত-পালিত হন। অসাধারণ স্মৃতি শক্তির অধিকারী ইমাম শাফেয়ি মাত্র ১০ বছর বয়সে কোরআন হেফজ করেন। অতঃপর মক্কায় গমন করে সেখানকার প্রখ্যাত ফকিহ মুসলিম ইবনে খালিদ বানজি (রহ.)-এর কাছে ফিকাহ শিক্ষা করেন। ১৫ বছর বয়সে তিনি উস্তাদের কাছ থেকে ফতোয়া দেওয়ার অনুমতি প্রাপ্ত হন,...
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পর্কিত খবর