কারণটা চাণক্য বলে গেছেন: সোজা গাছ আগে কাটা পড়ে। আবু সাঈদের প্রতিকৃতি দিলে সোজাসাপ্টা হিরোইজম হইত, কিন্তু কূটনীতি জটিল জায়গা। ভারত চাণক্যনীতি অনুযায়ী চলে। তাকে তার গ্রামার দিয়েই মোকাবিলা করতে হবে। ইউনূস কূটনীতি করছেন, হিরোইজম না। তাঁর লক্ষ্য, ভারতকে আলোচনার টেবিলে আনা। সেই মেকানিজম করার জন্য তাঁকে চাণক্যের মান্ডালা থিওরি (তোমার পাশের দেশ যদি বৈরীভাবাপন্ন হয়, তবে তার পাশের দেশ তোমার বন্ধু) আর নবীজীর পরামর্শ মোতাবেক সুদূর চীনদেশ যাইতে হইছে। ভারত কেন আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি হইল? কারণ, এখানে প্রফেসর ইউনূস কৌটিল্যের দ্বৈতনীতি এস্তেমাল করছেন। একদিকে চীনের সাথে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতেছেন, আবার পাইপলাইনে পাকিস্তানও আছে। আর ভারতের দিকে বাড়ায়ে দিছেন ভূরাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার হাত। ফলে ভারতের পক্ষে রাজনৈতিক দূরত্ব ঘুচানো ছাড়া...
প্রফেসর ইউনূস নরেন্দ্র মোদিকে আবু সাঈদের প্রতিকৃতি দিলেন না কেন?
সুমন রহমান

জাতীয়তাবাদের পুনরাবিষ্কার: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ মুক্তির পথে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)
অনলাইন ডেস্ক

জাতীয়তাবাদ একটি রাষ্ট্রের আত্মপরিচয়, গৌরব এবং ভবিষ্যৎ পথচলার দিকনির্দেশনা। তবে এই জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা ও কাঠামো সব দেশে এক নয়, এবং বাংলাদেশেও জাতীয়তাবাদের বিকাশ একমাত্রিক নয়। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ছিল একটি আবেগতাড়িত ও সাংস্কৃতিক পরিচিতিভিত্তিক ধারণা, যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালির রাষ্ট্রপ্রাপ্তির স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ১৯৭৫ পরবর্তী বাস্তবতায় দেখা যায়, এই জাতীয়তাবাদ ক্রমাগত একটি সীমাবদ্ধ ও পতিত ধারণায় পরিণত হয়, যা ভৌগোলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত বৈচিত্র্যকে উপেক্ষা করে। অন্যদিকে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রবর্তন করেন, যা রাষ্ট্রভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যতমুখী চিন্তাধারাকে ধারণ করে। তিনি বাঙালি জাতিসত্তার...
ড. ইউনূসের আরও স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
গাজীউল হাসান খান

আজকাল কোনো রাজনৈতিক কথা বলা কিংবা লেখার ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে হয়। কোনো ব্যাপারে বক্তা কিংবা লেখকের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গেই একটি পক্ষ নির্ধারণের প্রবৃত্তি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ বক্তা বা লেখক রাজনীতিগতভাবে কোন পক্ষের লোক, সেটি নির্ধারণের একটি প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এটি আমাদের পারস্পরিক সমঝোতা কিংবা বৃহত্তরভাবে বোঝাপড়ার অভাবেও হতে পারে। একই রাজনীতি কিংবা দর্শনে বিশ্বাস করলেও বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন জনের কিছুটা মতপার্থক্য দেখা দিতেই পারে। এটিই আমাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং অন্যদিকে গণতন্ত্রের একটি অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। নিজেদের মধ্যে বহুমত বিরাজ করলেও বৃহত্তর সমঝোতা কিংবা অবাধ মতবিনিময়ের কারণে অনেক বন্ধুর পথ অতিক্রম করেও হয়তো বা দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটি কমন প্ল্যাটফর্মে সমবেত...
ভারত ও হাসিনার বিক্রি করা গল্পের একটা নমুনা
মির্যা গালিব

নিউইয়র্ক টাইমস একটা প্রবন্ধ ছেপেছে যে বাংলাদেশে ইসলামিস্ট মৌলবাদীরা সামনের দিনে ক্ষমতাশালী হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে ইসলামী জঙ্গিরা ক্ষমতা দখল করে ফেলবে, এই গল্প তো অনেক পুরানো। এই গল্প ভারত আর হাসিনা বিক্রি করেছে অনেক দিন। কিন্তু এই গল্পের ক্রেতা কারা? দুই গ্রুপ লোকের এই গল্প অনেক পছন্দ। এক গ্রুপ হইল আমাদের দেশের মধ্যে সেকুলার ইসলামোফোব গ্রুপ, যারা উঠতে বসতে ইসলাম আর ইসলামী কালচারকে গালমন্দ করে। আর আরেক গ্রুপ হইল, বিদেশী শক্তি, আরও স্পেসিফিকালী ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড, যারা তাদের মডার্নিটিকে সারা দুনিয়াতে রপ্তানি করতে চায়। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পনের বছরের জুলুমের মধ্য দিয়ে যে তরুণ প্রজন্ম বড় হয়েছে, তাদের একটা রাজনৈতিক বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। আওয়ামী আর বাম সেকুলারদের মত করে ইস্লামোফোবিয়া তাদের আর আকৃষ্ট করতেছে না। বরং...
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত