মানুষের জীবনে রমজান মাস আসে, আবার চলে যায়। এক সময় রমজান আবার ফিরে আসবে, কিন্তু সে মানুষই আর থাকবে না। রমজানমাসব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রোজাদারদের জন্য বেশ কিছু আচরণ শিক্ষা দিয়ে যায়। সেগুলোর আলোকে জীবন অতিবাহিত করলে রমজানের আগমন সার্থক ও সফল হয়। রমজানের শিখিয়ে দেওয়া কয়েকটি আচরণ আলোচনা নিম্নরূপ তাকওয়া অর্জন : তাকওয়ার আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা হলেও শরিয়তের পরিভাষায় তাকওয়া হলো শুধুই আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। যার মধ্যে তাকওয়া থাকে তাকে বলে মুত্তাকি। রোজার প্রধান শিক্ষাই হলো তাকওয়া অবলম্বন করা। রোজা বিভিন্নভাবে বান্দাকে সে তাকওয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। যেমনরোজাদার সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থেকেছে। দিনভর মনেলোভা খাবার ও স্ত্রীর মনোরম আকর্ষণ তাকে পরাস্ত করতে...
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা

ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
মুফতি মানযুর সিদ্দিক

ফতোয়া লেখায় দক্ষতা ও পরিপক্বতা অর্জনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোনো অভিজ্ঞ ও বিদগ্ধ মুফতির সান্নিধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা। ফিকহি কিতাবসমূহের অধ্যয়ন এবং অনুশীলন বিশেষত কোনো নির্দিষ্ট ফিকহি গ্রন্থ, যেমনরদ্দুল মুহতার-এর পূর্ণাঙ্গ অধ্যয়নও এই বিশেষজ্ঞ মুফতির দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত। হাকিমুল উম্মত হজরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেন, ফতোয়া লেখা প্রত্যেক ব্যক্তির কাজ নয়, যদিও সে ফিকহের কিতাবাদি অধ্যয়ন সম্পন্ন করে থাকে। হ্যাঁ, যদি কেউ বিজ্ঞ ও দক্ষ মুফতিদের সান্নিধ্যে এই কাজ অনুশীলন করে এবং তারা তার কাজকে গ্রহণযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেন, তাহলে সে ফতোয়া লেখার যোগ্য। তবে এরপরও যদি কখনো ভুল-ত্রুটি হয়, তবে তা মানবীয় দুর্বলতার কারণে হতে পারে। একে অযোগ্যতা বলা যাবে না। ঠিক যেমন একজন অভিজ্ঞ চিকিত্সকের অধীনে দীর্ঘদিন রোগ...
ঈদের পর প্রথম জুমায় দোয়াগুলো পাঠ করুন
অনলাইন ডেস্ক

রমজান মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর এসেছে প্রথম জুমা। বিশেষ দিনের একটি বিশেষত্ব হলো এই দিনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে যে কোনো দোয়া কবুল হয়। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, فِيهِ سَاعَةٌ لا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّى يَسْأَلُ اللهَ شَيْئًا إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্র কাছে কিছু চায়, তা হলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন। (সহিহ বুখারি: ৯৩৫) জুমার দিন বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। বিশেষত জুমার খুতবা শুরু হওয়ার পর থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়া কবুলের সময়; এ সময় দোয়ায় নিমগ্ন থাকা উচিত। আল্লাহর শেখানো যে ৪টি দোয়া জুমার দিন পাঠ করতে পারেন: ১. কোরআনে আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করতে...
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্ম-বিশ্বাস
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

কোরআন নাজিলের সময় আরব ভূখণ্ডে কয়েকটি মৌলিক ধর্ম প্রচলিত ছিল। সেগুলো হলো, ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম, মাজুসি ধর্ম, সাবিয়ি ধর্ম, হানিফি ধর্ম। হানিফি ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মগুলোর কথা কোরআন বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে বর্ণনা করেছে। যেমন নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, যারা ইহুদি হয়েছে এবং যারা খ্রিস্টান ও সাবিয়ি...। (সুরা বাকারা, আয়াত : ৬২) অন্য আয়াতে এসেছে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা ইহুদি, যারা সাবিয়ি, খ্রিস্টান ও অগ্নিপূজক এবং যারা মুশরিক হয়েছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেবেন। (সুরা হজ, আয়াত : ১৭) ইসলামপূর্ব আরবের ধর্ম সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো, ইহুদি ধর্ম পবিত্র কোরআনে ইহুদিদের নিন্দনীয় চারিত্রিক বিষয় উন্মোচন করা হয়েছে স্পষ্টভাবে, তবে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের নিন্দা করা হয়েছে শুধু এই কথা বলে, `আর ইহুদিরা বলে উজাইর আল্লাহর পুত্র।...
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পর্কিত খবর