আমার নাম রিয়াদ হালদার। আমি সৌদি প্রবাসী। আমার প্রশ্ন হলো, কোরআনের যে কোনো শব্দ দিয়ে কি নাম রাখা যায়? এ ক্ষেত্রে করণীয় ও বর্জনীয় কী? প্রজ্ঞা আলেমরা বলেন, নাম রাখার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনা হলো, অর্থপূর্ণ ও শ্রুতিমধুর শব্দ দিয়ে নাম রাখা। সুতরাং অভিভাবক শ্রুতিমধুর অথচ অর্থ সুন্দর নয় অথবা অর্থহীন শ্রুতিমধুর শব্দ পরিহার করবে। এ ক্ষেত্রে অর্থের দিকটিই প্রাধান্য পাবে। কেননা আল্লাহর কাছে অন্তর্নিহিত অর্থের মূল্য অনেক বেশি। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের দেহ এবং তোমাদের আকৃতি দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৫৬৪) বাহ্যত সুন্দর মনে হয় এমন কয়েকটি নাম রাখতেও মহানবী (সা.) নিষেধ করেছেন। যেমন রাবাহ, ইয়াসার, নাজিহ, আফলাহ। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)...
কোরআনের শব্দ দিয়ে নাম রাখার বিধান
মুফতি আবদুল্লাহ নুর

সন্তানের দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
মো. আবদুল মজিদ মোল্লা

মুসলিম পিতা-মাতার অন্যতম দ্বীনি দায়িত্ব হলো সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা। কেননা মুসলিম হিসেবে জীবন যাপন করার জন্য ধর্মীয় জ্ঞান ও শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। দ্বীনি শিক্ষার অভাবে বর্তমান সমাজের বহু মুসলমানকে ঈমান ও ইসলাম থেকে বিমুখ হয়ে যেতে দেখা যায়। বর্তমান সমাজের সাধারণ চিত্র হলো, সমাজের বেশির ভাগ মুসলমান তাদের সন্তানদের শুধু জাগতিক শিক্ষা প্রদান করে। জাগতিক শিক্ষায় সর্বোচ্চ অর্জন নিশ্চিত করতে প্রচুর অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে। তারা তাদের সন্তানদের দামি-দামি স্কুলে পড়ায়। তাদের জন্য হাজার হাজার টাকা দিয়ে গৃহশিক্ষকের ব্যবস্থা করে। বিপরীতে সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা ও তারবিয়তের ব্যাপারে তাদের উদাসীনতার কোনো শেষ নেই। বর্তমান সমাজের বহু মুসলমানের সন্তান কালেমা বলতে পারে না, তাদের প্রিয়নবী (সা.)-এর নাম জানে না, অজু-গোসল ও নামাজের বিধান পর্যন্ত তাদের...
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা

মানুষের জীবনে রমজান মাস আসে, আবার চলে যায়। এক সময় রমজান আবার ফিরে আসবে, কিন্তু সে মানুষই আর থাকবে না। রমজানমাসব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রোজাদারদের জন্য বেশ কিছু আচরণ শিক্ষা দিয়ে যায়। সেগুলোর আলোকে জীবন অতিবাহিত করলে রমজানের আগমন সার্থক ও সফল হয়। রমজানের শিখিয়ে দেওয়া কয়েকটি আচরণ আলোচনা নিম্নরূপ তাকওয়া অর্জন : তাকওয়ার আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা হলেও শরিয়তের পরিভাষায় তাকওয়া হলো শুধুই আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। যার মধ্যে তাকওয়া থাকে তাকে বলে মুত্তাকি। রোজার প্রধান শিক্ষাই হলো তাকওয়া অবলম্বন করা। রোজা বিভিন্নভাবে বান্দাকে সে তাকওয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। যেমনরোজাদার সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থেকেছে। দিনভর মনেলোভা খাবার ও স্ত্রীর মনোরম আকর্ষণ তাকে পরাস্ত করতে...
ঈদের পর প্রথম জুমায় দোয়াগুলো পাঠ করুন
অনলাইন ডেস্ক

রমজান মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর এসেছে প্রথম জুমা। বিশেষ দিনের একটি বিশেষত্ব হলো এই দিনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে যে কোনো দোয়া কবুল হয়। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, فِيهِ سَاعَةٌ لا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّى يَسْأَلُ اللهَ شَيْئًا إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্র কাছে কিছু চায়, তা হলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন। (সহিহ বুখারি: ৯৩৫) জুমার দিন বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। বিশেষত জুমার খুতবা শুরু হওয়ার পর থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়া কবুলের সময়; এ সময় দোয়ায় নিমগ্ন থাকা উচিত। আল্লাহর শেখানো যে ৪টি দোয়া জুমার দিন পাঠ করতে পারেন: ১. কোরআনে আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করতে...
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পর্কিত খবর